Wednesday, July 23, 2014

ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করুন (Not PDproxy)-UPDATED

ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করুন (Not PDproxy)-UPDATED

পোস্টের শুরুতেই সবাইকে আমার সালাম।মুসলমান ভাইদেরকে অগ্রিম ঈদ মোবারক আর হিন্দুদের জানাই শারদীয় শুভেচ্ছা।
পোস্টের শুরুতেই আমি পিডি প্রক্সি নিয়ে আলোচনা করব।আপনারা নিশ্চয়ই জানেন কিভাবে পিডি প্রক্সি দিয়ে ফ্রী তে নেট ইউজ করা যায়।কিন্তু এটার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল:
১.Bandwidth Limit Exceded ম্যাসেজ যা ১০০ এমবি ব্যবহার না করলেও আসে।
২.Blocked Website(Facebook,Twitter,Yahoo,Youtube) গুলোতে যেতে পারবেন না।
3.কোন সফ্টওয়্যার এর এক্টিভেটর ব্যবহার করতে পারবেন না।
4.Torrent File ডাউনলোড করতে পারবেন না।
নোট:আপনার একাউন্ট বলক করে দিলে Bandwidth Limit Exceded ম্যাসেজ পাবেন।
এতো সমস্যা নিয়ে কি আর নেট ইউজ করা যায়? আজ আমি যেটা নিয়ে আলোচনা করব তার নাম Cproxy।
সুবিধাসমুহ:১.দৈনিক কোন লিমিট নাই
২.কোন ওয়েবসাইট ব্লক করবে না।
৩.ব্যবহার করা সহজ
4.Torrent File ডাউনলোড করতে পারবেন ।
অসুবিধাসমুহ:১.একটি একাউন্ট ৩ দিন ব্যবহার করতে পারবেন
২.৩ দিন পর ডিমো সার্ভার ব্যবহার করলে ফুল স্পিড পাবেন না।
৩.মাঝে মাঝে কোন ওয়েবসাইটে যেতে ১০ সে. অপেক্ষা করতে হবে।
২.ফ্রীতে একটি একাউন্ট তৈরী করুন
৩.তারা আপনাকে একটি ইমেল পাঠাবে।ইমেলে দেওয়া আইডি এবং পাসওয়ার্ড ইনস্টল করার পর Preference এ প্রবেশ করান
৪.parent proxy তে address:freeproxyserver.net  port:8080 Username and password দরকার নেই।
৫.apply করুন।তারপর overview তে update stats এ ক্লিক করুন।
এ একাউন্ট দিয়ে আপনি ৩ দিন আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।৩ দিন পর নতুন একাউন্ট তৈরী করুন।
6.Network properties এ গিয়ে Networking-Internet protocol version4&6(ipv4&ipv6)-properties-use the following dns server addresses(click)-prefered:127.0.0.1     alternate:8.8.8.8
7.Browser setting:  setting-network-change proxy setting-lans etting-use a proxy server for your lan(address:127.0.0.1   port3128)


8.IDM এ গিয়ে Downloads-options-proxy/socks-get from IE(click)-use proxy(Click)
9.preferance এ random server ইউজ করেন
পোস্টটি লিখতে অনেক কষ্ট হল।আপনাদের ভাললাগা কষ্টকে ভুলে গিয়ে পরবর্তী পোস্ট করতে অনুপ্রেরণা জাগাবে।
N.B:পিডি প্রক্সি ব্যবহার করতে ডিফল্ট সেটিংস ব্যবহার করতে হবে

♣♀♣ ইন্টারনেট ছারাই (অফলাইনে) টেকটিউনস /যে কনো ব্লগ পড়ুন ♣♀♣ (মনে হয় মেগা টিউন)

♣♀♣ ইন্টারনেট ছারাই (অফলাইনে) টেকটিউনস /যে কনো ব্লগ পড়ুন ♣♀♣ (মনে হয় মেগা টিউন)


কাজ:- আজকে আমরা দেখবো কিভাবে ইন্টারনেট ছারাই টেকটিউন বা অন্য যে কনো সাইট ব্রাউস করা যায় ও অফলাইনে পড়া যায়।যাদের বাসায় ইন্টারনেট নাই তাদের উপকার হবে আসা করি। এছারাও টেকটিউনসের সার্ভার ডাউন থাকলে সাইটে না ঠুকতে পারলে এভাবে পড়তে পারবেন। কেউ আবার ভেবে বসবেন না আমার মাথা মুথা আউলায়া গেছে। হাহা। কাজটা খুব সহজ আসলে একটা সোফটওয়্যার এর দারা এটা করা যায়। আজকে সেটা নিয়ে আলোচনা করবো আমরা। এই সোফট টি দিয়ে আপনে অফলাইনে টেকটিউন সহ অন্য সব ব্লগ পড়তে পারবেন। মনে করুন আপনে টেকটিউনস প্রেমি বাট আপনার বাসায় নেটের নাইল নাই তাহলে যে কনো সাইবার কেফে গিয়ে আপনে আপডেট করে নিয়ে আসুন পেন ড্রাইভে তারপর বাসায় বসে ইন্টারনের ছারাই টেকটিউনস পড়ুন।আমরা যেমন এন্টিভাইরাস আপডেট করি না? কাজটা অনেকটা সেরকম ই। আপনে অন্য কথাও থেকে আপডেট করে নিয়ে অফনাইলে ইন্টারনেট ছারাই তখন পড়তে পারবেন।আবার মনে করুন আপনার একটি সাইট আছে যার সব কিছু কপি করে রাখতে চান নিজের পিসিতে তাহলেও এটা ইউস করতে পারেন। বুঝাতে পারলাম? তো আর কি? চলেন শুরু করি এবার। :)
অফ টপিক:- কিভাবে আমার বাংলা ব্লগিং যাত্রা শুরু (এক্সট্রা পেচাল না পড়লেও চলবে তেমন ইম্পরটেন্ট না)
আসলে বাংলা ব্লগিং শুরু করেছি আমি ৩মাস হবে হটাত একদিন না জানি কি কারনে প্রথম আলো ব্লগে গিয়ে দেখি রিয়াদ ভাইয়ের একটা টিউন "কি দিয়েছে ১৪০০ বছরের ইসলাম"? মুক্ত আলোচনা দেখে ভালো লাগলো তারপর আমি রেজিসটার করলাম ঐ ব্লগে এভাবেই আমার বাংলা ব্লগে আসা।যাত্রা শুরু হয়েছি অনেক ঝগরা দিয়ে, হাহাহা, পড়ে সবার ফেভারিট হয়ে যাই না জানি কিভাবে। সবার ভালোবসায় আমি সত্যি মুগ্ধ।প্রথম আলো ব্লগের সবার কাছে আমি ক্রিতগ্গ।অনেকটা এমন একটা টিউন দেখেছিলাম প্রথম আলো ব্লগে আমার ফেভারেট একজন ব্লগার রিয়াদ ভাই করেছিলো। ৪/৫দিন আগে রিয়াদ ভাইকে জিগাস করলাম আমি এমন একটা টিউন করতে চাই যেহুতু আপনে আগে করেছেন তাই আপনার পারমিশন নিয়ে করতে চাই।যদিও সোফট টা আমার না উনারো না। এটা আসলে একটা ভালোবাসা উনার প্রতি আমার। যাই হোক। এই আরকি। হাত বেথা হয়ে গেছে এতকিছু লিখে একটু হোল্ড করুন ধুমপান করে নেই শান্তি করে।হাহাহাহা :) :) :) :) :)

চলুন শুরু করি

১। টিউন ইনস্টলেশন:-
|---------------------------|
|ইউসার লেভেল - মিড লেভেল
|ডিফিকাল্টি - ২০%

|ডাউনলোড করুন এখানে ক্লিক করে 
|---------------------------|
২। ডাউন লোড হয়ে গেলে সোফট টি নরমাল ভাবে ইনস্টল করুন। তারপর ওপেন করে বন্ধ করে দিন।
৩। পেচ ফাইলে ক্লিক করুন তারপর পেচ লিখাটায় ক্লিক করুন তারপর এখানে যান c/program files/Offline Explorer Enterprise/ এখন OE.exe টা সিলেক্ট করে ওপেন করুন নিচের ছবির মত।


হয়ে গেছে এবার ৪নং দেখুন।
৪। এখন ডেস্কটপ থেকে Offline Explorer Enterprise ওপেন করুন project URL এর ঘরে লিখুন http://techtunes.com.bd আর project নেম এর ঘরে লিখুন tt নিচের ছবির মত তারপর নেক্সট দিন।


এবার ১ লিখাটা আছে না? সেখানে যদি চান প্রথম ২/৩ পাতা আপলোড করবেন তাহলে ১ উঠিয়ে ৩দিয়ে দিন। আর প্রথমে ১দিয়েই করুন টেস্ট হয়ে যাবে। (১পাতায় যত পোস্ট আছে সব ডাউনলোড করেছি আমি ৬/৭ মিনিটে আমার স্পিড ছিলো ১৫-১৮কেবি)


নেক্সট দিন/আবার নেক্সট দিন/আবার নেক্সট দিন/আবার নেক্সট দিন/ এবার দেখুন ডাউনলোড শুরু হয়ে গেছে। নিচের ছবির মার্ক করা জায়গাটা দেখুন। connecting to host techtunes তার মানে ডাউনলোড হতেছে। আর একি জায়গায় যদি দেখুন Download completed লিখা তার মানে ডাউনলোড করা একদম শেষ।


৫। যদি মনে করেন যতটুক চেয়েছেন ততটুক ডাউনলোড হয়ে গেছে তাহলে নিচের ছবির মত নির্দিষ্ট Project (TT)-এ রাইট ক্লীক করে → Download → Stop এ ক্লীক করুন। আপনি চাইলে আবার একই জায়গা থেকে ReStart Download দিয়ে ডাউনলোর শুরু করতে পারবেন। আবার যদি চান আপডেট করতে তাহলে আপডেট ও করে নিতে পারবেন। নিচের ছবিটি দেখুন।


৬। এবার ফাইলটি কে ওয়েব সাইট আকারে সেভ করতে চাইলে → File → Export এ ক্লীক করুন। এবার ডায়ালগ বক্সে ফাইলটি কোথায় Export করবেন সেই লোকেশনটি নির্ধারন করে দিন। অতঃপর Export বাটনে ক্লীক করুন। নিচের ছবির মত


এবার নিচের ছবির মত ব্রাউসে ক্লিক করে যেখানে সেফ করতে চান জায়গা দেখেন তারপর ওকে দিয়ে Export ক্লিক করুন তারপর একটু সময় দিন Export হয়ে যাবে।


৬। টিং টিং টি টিং, এবার রেডি হয়ে যান ইন্টারনেট ছারা টেকটিউনস পড়তে প্রথমে টেস্ট করার জন্য আপনার নেটের নাইল ডিসকানেক্ট করুন। এখন যেখানে Export করেছিলেন সেই ফোল্ডারে যান গিয়ে দেখুন অনেক ফাইল আছে সেখান থেকে contents.htm নামের ফাইল টি মজিলা দিয়ে ওপেন করুন (এক্সপ্লরার দিয়ে কেনো জানি আপাতত আমি পারতেছি না।)

তারপর নিচের ছবির মত একটা পেজ ওপেন হয়ে মজিলাতে। TT লিখাতে ক্লিক করুন ও ব্রাউস করা শুরু করুন ইন্টারনেট ছারা।
এক ঝলক দেখে নিন কেম লাগে অফলাইনে ব্রাউস করতে নিচের ছবিতে
■≡■≡■≡■≡■≡■≡■≡■≡■≡■≡■
░Ś░ι░g░η░є░∂░ ░ß░ÿ░
-►►®►Pudina Pata™—-►
【✖ᵀᴴᴱ ᴼᴿᴵᴳᴵᴻᴬᴸ CYBER FREAK✖】

টরেন্ট ডাউনলোড নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান [আপডেটেড মেগাটিউন]

টরেন্ট ডাউনলোড নিয়ে সকল সমস্যার সমাধান [আপডেটেড মেগাটিউন]


টরেন্টের নাম শুনেছেন? টরেন্ট দিয়ে পাওয়া যায় না এমন কিছু নেই। টরেন্ট দিয়ে দরকারি ফাইলপত্র ডাউনলোড করতে চান? কিন্তু সাহসে কুলোচ্ছে না? কিভাবে করবেন জানেন না? শেখার আগ্রহ আছে? উত্তর যদি 'হ্যা' হয় তাহলে এই টিউনটি আপনারই জন্য....
আমার আরো কিছু লেখা পড়তে দেখুনঃ
২০১২ সালে অ্যাপল: প্রত্যাশা, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি
টনসিলের প্রদাহ : কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার
হার্ট এটাক কি? কারণ, লক্ষণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার
২০১২ সালে আমেরিকার আরোপিত সোপা/পাইপা আইনের পর টরেন্ট ডাউনলোড জগতে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। আমি সেগুলো খানিকটা আপডেট করে দিয়েছি।

টরেন্ট কি?

টরেন্ট হল একটি পিয়ার টু পিয়ার প্রযুক্তির ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি।
এর মাধ্যমে কোনো একটি ফাইল সারা পৃথিবীতে যত জন লোক ডাউনলোড করতে চায়, তারা একে অন্যের ইন্টারনেট কানেকশনের ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করে ডাউনলোড করতে পারে।  সহজ করে বললে অনেকটা এভাবে বলা যায় যে, ধরি আমরা ৫ বন্ধু পৃথিবীর পাঁচ দেশে অবস্থান করছি। এখন আমাদের ৫০০ মেগাবাইটের একটি দরকারী ফাইল দরকার যা আছে আমার ইংল্যান্ডে অবস্থানকারী বন্ধুর কাছে। বাকি চার জন সেই ফাইলটা চাইছি।
এখন কিভাবে আমরা  সেই ফাইলটি পেতে পারি?
  • প্রথম জন পারে সেটি এক এক করে আমাদের সবার কাছে ই-মেইলে এটাচ করে পাঠাতে। কিন্তু অধিকাংশ ই-মেইল প্রোভাইডার ১০ মেগাবাইটের উপরে এটাচ করতে দেয় না। ফলে এ পদ্ধতি এখানে খাটবে না।
  • প্রথম জন সেটিকে বিভিন্ন ফাইল হোস্টিং সাইটে আপলোড করে দিতে পারে। তার পরে আমরা ডাউনলোড করে নিতে পারি। কিন্তু এখানেও সমস্যা। কেননা অধিকাংশ ফাইল হোস্টিং সাইট ফ্রি ইউজারদের resume সাপোর্ট সহ ফাইল ডাউনলোড দিতে দেয় না। মিডিয়াফায়ার (www.mediafire.com) এরকম ফ্রি ইউজারদেরকেও রিজিউম সাপোর্ট সহ ডাউনলোড করতে দিলেও আপলোডের ক্ষেত্রে ফাইল প্রতি ২০০ মেগাবাইটের লিমিট করে রেখেছে। ফলে আমার ৫০০ মেগাবাইটের ফাইলের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিও খাটল না।
এই অবস্থায় একটা অত্যন্ত সুন্দর একটা ফাইল শেয়ারিং পদ্ধতি হতে পারে টরেন্ট। আমার ইংল্যান্ডে থাকা সেই বন্ধু তার ফাইলটিকে একটা টরেন্ট করে আমাদের দিয়ে দিল। আর আমরা একটি টরেন্ট ক্লায়েন্টের সাহায্যে সরাসরি তার কম্পিউটার থেকে ফাইলটি ডাউনলোড শুরু করে দিতে পারব। এমন কি একসাথে চার জনে ডাউনলোড করার কারনে স্পিড কমার কথা, বরং বেড়ে যাবে। অবিশ্বাস্য লাগছে? ভাবছেন কেন বাড়বে?
কারনটা একটু আগেই বলেছি। আমরা একে অন্যের ইন্টারনেটের ব্যান্ডুইডথ শেয়ার করছি। মনে করি আমার ইংল্যান্ডে থাকা বন্ধুটির কাছ থেকে আমার অন্য তিন বন্ধু যারা যথাক্রমে আমেরিকা, জার্মানী ও জাপানে থাকে তারা ওই ফাইলটির ১৭% , ২০ % ও ৬৬% ডাউনলোড করেছে। এখন আমি যখন ডাউনলোড শুরু করব, তখন আমি শুধু ইংল্যান্ডবাসী বন্ধুর পিসি থেকেই নয়, বাকি তিন বন্ধুর যার যতটুকু ডাউনলোড হয়েছে তাদের কাছ থেকেও ফাইলটির অংশ ডাউনলোড করতে পারব।
এর মানে বুঝতে পারছেন?
হ্যা। এর মানে হচ্ছে ওই ফাইলটির ডাউনলোডকারী যত বাড়বে তত বেশি স্পিডে এটি ডাউনলোড করা যাবে। দেখলেন তো বুঝিয়ে বলার পরে অবিশ্বাস্য ব্যাপারটা এখন কত সহজ মনে হচ্ছে? যারা উবুন্টু ডাউনলোড করেছেন তারা জানেন যে উবুন্টুর সার্ভারের উপর চাপ কমানোর জন্য এখন উবুন্টুও টরেন্টে নামানোর জন্য ক্যানোনিক্যাল আমাদের রিকমেন্ড করে। আর হলিঊডের ওয়ার্নার ব্রাদার্স তো বিট টরেন্টের সাথে চুক্তিই করে বসে আছে।

টরেন্ট ফাইল (filename.torrent) কি?

টরেন্ট ফাইল হল একটি মেটা ফাইল অর্থাৎ প্রয়োজনীয় তথ্য সমৃদ্ধ ফাইল।
এটার অনেকটা চাইনিজ রেস্টুরেন্টের খাবার মেনুর মত। আপনি রেস্টুরেন্টে গেলে আপনাকে একটা মেনু বই ধরিয়ে দেবে আপনি মেনু দেখে অর্ডার দেবেন আর খাবার এসে হাজির হয়ে যাবে। লক্ষ্য করুন মেনুটি কিন্তু খাবার নয়। বরং এটি আপনাকে খাবারের নাম, দাম ইত্যাদি তথ্য জানিয়ে দিচ্ছে। টরেন্ট ও তেমনি একটি মেনুর মত ফাইল। যাতে আপনার দরকারি ফাইলগুলো কোথা থেকে ডাউনলোড করতে হবে বা কত সাইজ এসব জানাবে। মনে করেন আপনি নরমাল যেকোনো সার্ভার(যেকোনো সাইট ধরা যাক) থেকে একটা zip/rar ফাইল নামালেন। ডাউনলোডের পরে দেখতে পেলেন যে দরকারি ফাইল বাদেও যে ফাইলটি আপলোড করেছে সে তার পছন্দের একটা গান/ বা তার নিজের ছবি ফাইলের সাথে দিয়ে দিয়েছে। আর আপনাকে তা ডাউনলোড করতে গিয়ে আরো বেশিকিছুক্ষন বসে থাকতে হয়েছে। ডাউনলোড শেষে যখন দেখবেন আপনার দরকার নেই এমন ফাইলও আপনাকে ডাউনলোড করতে বাধ্য করা হয়েছে, কেমন লাগবে? টরেন্টে এই অসুবিধা নেই। টরেন্ট ফাইলটি নামানোর পরে আপনি যখন টরেন্ট ক্লায়েন্ট দিয়ে তা ওপেন করবেন(ডাবল ক্লিক) তখন সেই টরেন্ট ফাইলটি কি কি ফাইল ডাউনলোড করতে যাচ্ছে তার  একটা লিস্ট আপনাকে দেখাবে। সেখান থেকে আপনি অদরকারী ফাইলগুলো আনচেক করে বাদ দিতে পারবেন। ফলে বিশেষ করে যারা লিমিটেড ব্যান্ডুইডথ এর নেট ব্যবহার করে তাদের উপকার হবে।
আপনি যখন টরেন্ট ডাউনলোডিং সাইট(প্রকৃতপক্ষে ট্র্যাকার সাইট) থেকে কোনো একটি মুভির নামে সার্চ দিয়ে টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করলেন, আপনি অবাক হয়ে ভাবতে পারেন এ কি! একটা মুভি এত তাড়াতাড়ি কি ভাবে ডাউনলোড হয়ে গেল? তার পরে খুশি মনে যখন সেটি দেখতে যাবেন অবাক হয়ে দেখবেন যে এটি আসলে মুভি না। বরং এটি হল মাত্র কয়েকশ কিলোবাইটের একটা ফাইল। তাও ওপেন হচ্ছে না কোনো এপ্লিকেশন দিয়েই (কেননা তখনো আপনার পিসিতে কোনো টরেন্ট ক্লায়েন্ট নেই)। মুভি না দিয়ে এই কিলোবাইটের ফাইল দেখে আপনি এহেন প্রতারনা(!) দেখে রেগে মেগে ভাবলেন আর কোনোদিন টরেন্টের ধারেকাছেও যাবেন না, হুম।
হা হা! আপনার এই মনোভাব দূর করার জন্যেই এই পোস্ট।
টরেন্ট দিয়ে কি করে সহজে ডাউনলোড করা যায় তার নাড়ি নক্ষত্র জানিয়ে আজ যাব। তবে প্রথমে আপনাকে প্রথমে আপনার প্রয়োজনেই কিছু জিনিস জানতে হবে যে? এগুলো না জানলেও অত ক্ষতি নেই, তবে জানলে বুঝতে পারবেন কি করে টরেন্ট কাজ করে, কি করে টরেন্টের শুরু কিংবা জানতে পারবেন কিছু টরেন্ট টার্ম (torrent term)। এসব টার্মের মধ্যে আছে সিডার, সিড, পিয়ার, লিচার, ট্র্যাকার, সোয়ার্ম ইত্যাদি। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত লিখছি না। কেননা আমাদের টেকটিউন্স এরই এক ভাই darklord তার টিউনে এগুলো অসাধারন ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। আপনারা সেই টিউনটি এইখানে ক্লিক করে নতুন ট্যাব -এ পেইজটি খুলুন আর একবার চোখ বুলিয়ে নিন।
darklord ভাইয়ের টিউনটি পড়ার পরে কিছু জিনিসতো জানতে পারলেন। এবার তো আমি কিছু টেকনিকাল টার্ম ব্যবহার করলেও বুঝতে অসুবিধা হবে না, তাই না? তবে তার পরেও আমি একদম আমার ভাষার সব বলার চেষ্টা করছি। কোনো কিছু না ধরতে না পারলে বা আমার লেখায় ভুল পেলে কমেন্টে তা জানাবেন।
টরেন্টে পাওয়া যায় না এমন ফাইল বিরল। কেননা আমরা যেরকম টেকটিউন্স-এ টিউন না করলে ঘুমাতে পারি না। তেমনি অনেকে আছেন নিজের পিসির ফাইল অন্য লক্ষকোটি মানুষের সাথে শেয়ার না করলে পেটের খাবার হজম করাতে পারেন না। আর এঁদের সংখ্যা বহির্বিশ্বেই বেশি কেননা তাদের ইন্টারনেটের স্পিড বেশি। তাই আন্তর্জাতিক কন্টেন্ট টরেন্টে বেশি পাওয়া যায়। এবং এর সংখ্যা যে কত তা আপনার কল্পনারও বাইরে।

কি পাওয়া যায় টরেন্টে?

বরং এই প্রশ্ন করা যাক, কি পাওয়া যায় না? হলিউডের দুদিন আগে রিলিজ হওয়া মুভি, গান, সফটোয়্যার, টিভি শো, ই বুক, গেমস সহ আরো অনেক কিছু।  এমন কি মুভির ২১ গিগাবাইট সাইজের ব্লু -রে ভার্সনও পাবেন।  সবগুলোই কিন্তু সেরা কোয়ালিটির।  সেটা কেন? একটু চিন্তা করেন, আপনি একটা টরেন্ট অন্যদের সাথে শেয়ার করলেন। ধরা যাক সেটি একটি মুভি। এখন আপনার কাছে আছে এর দুটি প্রিন্ট, একটি হল ক্যাম প্রিন্ট, আরেকটি হল মাস্টার প্রিন্ট অর্থাৎ DVD rip। এখন আপনি কোনটা শেয়ার করবেন? অবশ্যই আপনি মাস্টার প্রিন্টটি শেয়ার করবেন, কেননা আপনি চাইবেন আপনার প্রিন্টটি দেখে অন্যদের ভাল লাগুক। তাছাড়া যারা নিয়মিত টরেন্ট শেয়ার করেন তারা তাদের রেপুটেশন কখনো কমাতে চান না।  আর আপনি নেজেই ভেবে দেখেন আপনার টরেন্ট ডাউনলোড করে যদি এর ফালতু কোয়ালিটি দেখে আপনাকে কতগুলো বকাঝকার কমেন্ট করে, আপনার কি ভাল লাগার কথা? অনেক সময় বাজে কোয়ালিটিও থাকে, সেগুলো একটু বুদ্ধি খাটালেই বোঝা যায়। যেমন আপনি চাচ্ছেন মাস্টারপ্রিন্ট ছবি, পেয়েও গেলেন। মাত্র ২০০ মেগাবাইট। এবার আপনি বলুন, ২০০ মেগাবাইটে কি মাস্টারপ্রিন্ট মুভি আশা করা যায়? আমার খুব ফেভারিট একজন টরেন্ট শেয়ারকারী হলেন PriSm, তার শেয়ার করা টরেন্ট আমি চোখ বন্ধ করে ডাউনলোড করি।

এবার আসুন টরেন্ট দিয়ে ডাউনলোডের পদ্ধতি শিখি:

  • প্রথমেই আপনার লাগবে একটি টরেন্ট ক্লায়েন্ট, এটা হল সেই সফটয়্যার যা দিয়ে আপনি টরেন্ট ফাইলটির(মেনু) মাধ্যমে যে যে ফাইল আপনার ডাউনলোড করা লাগবে(খাবার) সেই ফাইলগুলোর ডাউনলোডার(ওয়েটার)।অনেকরকম টরেন্ট ডাউনলোডার আছে, যেমন ইউটরেন্ট(µTorrent), বিট টরেন্ট, ভিউজ, বিট লর্ড, বিট কমেট ইত্যাদি।আপনি যদি চান একদম হাল্কা কিন্তু অসম্ভব শক্তিশালী টরেন্ট ক্লায়েন্ট, আপনার জন্য মিউটরেন্ট ই হল প্রথম পছন্দের। তবে যদি সৌন্দর্য চান অর্থাৎ কিছু ভিজুয়াল ইফেক্ট সম্বলিত সফট চান তাহলে আছে ভিউজ। তবে অসুবিধা হল ভিউজের ফ্রি ভার্সনে ওরা অনেক এডভারটাইজমেন্ট দেয়(অনেকটা ইয়াহু মেসেঞ্জারের মত), যা বিরক্তির সৃষ্টি করে। তবে ভিউজের সুবিধা হল এটি ব্যবহার করলে আপনার ব্রাউজার দরকার হবে না, সফটটি থেকেই আপনি টরেন্ট সার্চ ও কোনো অতিরিক্ত পেইজ ব্রাইজের ঝামেলা ছাড়াই টরেন্ট ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তবে আমার পরামর্শ থাকল ইউটরেন্ট ব্যবহার করা। আসলে ইউটরেন্টের আসল নাম মিউটরেন্ট(µTorrent)। কিন্তু µ লেখা ঝামেলা বলে এটিকে utorrent লেখা হয়।
উপরের µ চিহ্নিত সবুজ ছবিতে ক্লিক করে µTorrent ডাউনলোড করে নিন(ভয় পাবেন না, এটির সাইজ মেগাবাইটে যায় নি, মাত্র ৪০০কেবি)।
  • এখন আপনার দরকার হল একটি সাইট যেখানে সার্চ দিয়ে আপনি টরেন্ট ফাইল নামাবেন।
সেজন্য অনেক সাইট আছে যেমন:

কি আছে এই সাইটে?

torrentz.com হল এমন একটি সাইট যা অন্য সব টরেন্ট প্রোভাইডিং সাইট থেকে টরেন্ট খুজে দেয়। অনেকটা গুগলের মত। আপনি যদি thepiratebay.org থেকে টরেন্ট সার্চ করেন, এটি শুধু তার নিজের সাইটেই সেই টরেন্ট টি খুজবে। কিন্তু torrentz.com দিয়ে খুজলে thepiratebay.org তো বটেই, অন্য সকল সাইটেই ওই সম্পর্কিত টরেন্ট খুজে বের করবে।
আসুন সামনে আগাই, http://www.torrentz.com/ তে প্রবেশ করুন। একদম নিচের ছবির মত একটা বক্স আসবে।
এখানে লিখে সার্চ করতে হবে। ধরি আমরা sims 3 গেইমটি ডাউনলোড করব। সেখানে লিখি sims 3। এবার নিচের পেইজটি আসবে।
এখানে বিভিন্ন জনের শেয়ার করা টরেন্ট-এর তালিকা দেখাচ্ছে। লক্ষ্য করুন এখানে সার্চ রেজাল্টের উপরে ডান কোনায় quality লেখা এবং এর পাশেany/good/verified লেখা। এখানে সাধারনত good সিলেক্ট করা থাকে। মানে হল শুধু good quality-র টরেন্টগুলোই প্রদর্শিত হচ্ছে। আর verified মানে হল এগুলোর কোয়ালিটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সার্চ রেজাল্টে যেগুলোর পাশে সবুজ টিক চিহ্ন আছে, সেগুলোই ভেরিফাইড। এর পরে দেখুন সময় দেখাচ্ছে, এর মানে কতদিন হয়েছে টরেন্টটি শেয়ার করা হয়েছে। এর পরে যে সবুজ রং এর কিছু সংখ্যা লেখা তা হল সিড এর সংখ্যা। অর্থাৎ এই সংখ্যক লোকের কাছে sims 3 এর পুরো ফাইলটি আছে ও তারা সিড করছে। এর পরে নীল অক্ষরে লেখা সংখ্যাগুলো হল পিয়ার এর সংখ্যা। অর্থাৎ এরা বর্তমানে ফাইলটি ডাউনলোড করছে। সিড ও পিয়ারের সংখ্যা যত বেশি স্পিড ও তত বেশি পাবেন। যেগুলোতে সিড কম, সেগুলো ডাউনলোড না করাই ভাল।
এবার রেজাল্ট থেকে যেকোনো একটিতে ক্লিক করি। এই পেইজটি আসবে:
এখানে প্রথম দুটি Direct download ও usenet download হল স্পন্সর্ড অর্থাৎ বিজ্ঞাপন। এগুলোতে ক্লিক করার দরকার নেই।
পরে যেগুলো আছে তাতে ক্লিক করুন। যেমন : thepiratebay.com এ।
একটি পেইজ আসবে যাতে একটি লিঙ্কে লেখা থাকবে download torrent। এখানে ক্লিক করে টরেন্ট ফাইলটি(মেনু) ডাউনলোড করে নিন। এর পরে আপনার টরেন্ট ক্লায়েন্ট দিয়ে এটি ওপেন করুন।  একটি লিস্ট আসবে যে এই টরেন্টটি কি কি ফাইল ডাউনলোড করতে যাচ্ছে।  এখান থেকে অপ্রয়োজনীয় কিছু বাদ দিতে চাইলে বাদ দিন। এবার ok চাপুন আর দেখুন কিছুক্ষনের মধ্যেই ডাউনলোড শুরু হয়ে গেছে।  টরেন্টে ডাউনলোড শুরু হতে একটু সময় লাগে কেননা এটি সিডার বা পিয়ার খুজতে একটু সময় নেয়। কোয়ালিটি ভালো হলে বলতে গেলে সময় লাগেই না।
এটা হল পাইরেট বে তে প্রবেশ করার পরের পেজ
ডাউনলোডের আগে অন্যদের কমেন্ট পড়ে নিতে পারেন। এতে ফাইলটি ভাল না খারাপ ধারনা হবে। ভাইরাসযুক্ত টরেন্ট প্রকৃতপক্ষে খুব কম।
কি মনে হচ্ছে? ডাউনলোড করা কোনো ব্যাপার? এখন যদি আপনার আরো তাড়াতাড়ি করার ইচ্ছা হয় তখন? হ্যা, তাও সম্ভব। thepiratebay.org কিংবা এধরনের সাইটে প্রবেশ করা ছাড়াও আপনি সরাসরি ডাউনলোড করে নিতে পারেন ম্যাগনেট লিঙ্ক দিয়ে। ম্যাগনেট লিঙ্ক সম্পর্কে জানতে এইখানে ক্লিক করুন।

ম্যাগনেট লিঙ্ক দিয়ে ডাউনলোড:

যে পেইজ থেকে আপনি টরেন্ট ফাইলটি ডাউনলোড করার জন্য পাইরেট বে-তে ঢুকেছিলেন, সেই পেইজে যান। সবগুলো টরেন্ট প্রোভাইডার সাইটের লিস্ট দেখাবে।  লিস্টে সবার নিচে দেখুন লেখা আছে ম্যাগনেট লিঙ্ক(magnet link)। এখানে ক্লিক করুন। আপনার টরেন্ট ক্লায়েন্ট সফটোয়্যার ইন্সটল করা থাকলে তখনি ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে!
ভিউজ নামক ক্লায়েন্টে আপনাদের বলেছিলাম না সরাসরি ডাউনলোড বাটন দেয়াই থাকে? আসলে সেটা একটা ম্যাগনেট লিঙ্ক।
বর্তমানে আমেরিকার নানান এন্টি পাইরেসি আইনের কারনে অনেক সাইটে download torrent অপশনটি আর খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন আপনি download magnet link লেখা/চিহ্ন পাবেন। সেটি দিয়ে কাজ সারতে হবে

এখন কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার টরেন্টটি ডাউনলোড শুরু হয়ে যাবে।

চয়ন ভাই নিচে তার কমেন্টে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা উল্ল্যেখ করেছেন। সেটি হল- কোন টরেন্টের সিড বেশী না পেলে হ্যাশ কপি করে গুগলে সার্চ দিলে অন্যান্য সাইটে যদি এই টরেন্টটি থাকে তাহলে তা পাওয়া যাবে,তখন টরেন্টটি ডাউনলোড করলে তা ডাউনলোড না হয়ে পূর্বের টরেন্টটির ট্র্যাকার লিস্ট আপডেট হয়ে যাবে। ফলে সিডের সংখ্যা বাড়বে (ওই সাইটে যত সিডার ছিলো তারা )।

টরেন্ট দিয়ে ডাউনলোড কেন করবেন?

  • আনলিমিটেড রিজিউম সাপোর্ট, অর্থাৎ আপনার অসমাপ্ত ডাউনলোড হারিয়ে যাবার ভয় নেই। একটা ফাইল আপনি ইচ্ছা করলে এক মাস বা যতখুশি সময় নিয়ে নামাতে পারবেন। এমন কি ডাউনলোড চলাকালীন কম্পিউটার ধুম করে বন্ধ হয়ে গেলেও আপনার ডাউনলোড করা অংশটুকু থাকবে নিরাপদ।
  • সিডারের সংখ্যার উপর নির্ভর করে অনেক ভাল স্পিড পাওয়া যায়
  • নিজেকে একটা কমুনিটির সদস্য হিসাবে ভাবতে পারবেন যারা সবাই একটি ফাইল ডাউনলোড করছেন। সতর্ক করে দিচ্ছেন একে অপরকে।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল
  • টরেন্টে পাওয়া যায় না এমন কিছু বিরল।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:

  • উবুন্টুতে/ লিনাক্স মিন্টে টরেন্ট ক্লায়েন্ট আলাদা ইন্সটল করা লাগে না। Transmission bit-toreent client দেয়াই থাকে। তবে ভিউজ আলাদা ইন্সটল করা লাগে।
  • উইন্ডজের ব্যবহারকারি হলে ডাউনলোডের পরে ভাইরাস স্ক্যান করাবেন।
  • ডাউনলোডের পরে আপনিও সিড করুন, কেননা অন্য কেউ সিড করেছে বলেই আপনি ফাইলটি ডাউনলোড করতে পেরেছেন। দরকার হলে আপলোড লিমিট করে দিয়ে সিড করতে পারেন, যেমন: 1kbps
  • যাদের লিমিটেড ব্যান্ডুইডথ তারা সিড না করাই নিজের জন্য ভাল।
  • আপনি নিজেও টরেন্ট তৈরি করে শেয়ার করুন।  কি করে টরেন্ট তৈরি করতে হয় জানতে darklord ভাইয়েরই আরেকটি টিউন দেখুন এখানথেকে।

কিছু হাই- কোয়ালিটি মুভি টরেন্ট দেখুন।

এবার সব জানলেন। টরেন্টের আনন্দময় জগতে বিচরণ করুন।

আপডেটঃ

কিভাবে টরেন্টের স্পিড বাড়াতে হয় হ্যাশ ও ট্রাকার ব্যবহার করে তা দেখতে এই সিরিজের ২য় টিউনটি দেখুন এখানে

কিভাবে আইডিএম IDM এর মাধ্যমে টরেন্ট ডাউনলোড করবেন?

অনেকসময় টরেন্টের স্পিড অনেক কম থাকে। কিন্তু ৭০০ মেগাবাইটের চেয়ে ছোট টরেন্ট গুলো আপনি ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে ডাউনলোড করতে পারেন। কিভাবে???
প্রথমে উপরের নিয়মে এই পেইজে যানঃ
  • টরেন্টের/ ম্যাগনেট লিঙ্কের  লিঙ্ক কপি করুন।
  • এখন FURK এ যান।
  • রেজিস্ট্রেশন করুন।
  • মাই ফাইলস অপশনে গিয়ে দেখুন ADD FROM TORRENT নামে অপশন আছে।
  • পেস্ট করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করে অপেক্ষা করুন
  • ই-মেইল নটিফিকেশন অন করে নিন।
  • টরেন্টটি ডাউনলোড এর জন্য তৈরি হয়ে গেলে আপনাকে মেইল পাঠাবে।
  • এখন FURK এ গিয়ে আপনার টরেন্ট ফুল স্পিডে ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে ডাউনলোড করুন অনেক কম সময়ে।
যারা যারা এতক্ষন এত সময় খরচ করে আমার এই লেখাটি পড়েছেন সবাইকে মুল্যবান সময় দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখাটি আমার ব্যক্তিগত ব্লগে দেয়া হল।
সাথে সাথে টেকস্পেট.কম এও দেয়া হল।
সর্বস্তরে টেকনোলজির দ্যুতি ছড়িয়ে দিতে লেখাটি শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে।
।।   ভাল থাকবেন  ।।

আমি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, উইকিলিকসে আপনাকে প্রয়োজন

আমি জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, উইকিলিকসে আপনাকে প্রয়োজন


সারা পৃথিবীজুড়ে চলছে গরিবের উপর ধনীদের অত্যাচার,উন্নত বিশ্বগুলো চালাচ্ছে উন্নয়ানশীল দেশগলোর উপর বঞ্চনার স্টিম রোলার।প্লেটের ভাত যারা কেড়ে নিচ্ছে,যারা সন্ত্রাসী ধমনের নাম করে মেরে যাচ্ছে বেসামরিক মানুষ,যারা কেড়ে নিচ্ছে শিশুর ভবিষ্যত তারা আর যাই হোক কারো বন্ধু হতেই পারেনা।
বাংলাদেশের মত উন্নয়ানশীল রাষ্ট্রগুলোর কোন ক্ষমতা নেই এই সকল অবিচারের প্রতিবাদ করার,নেই তাদের হুশিয়ারী করার মত পথ,নেই তাদের কোনভাবে আটকানোর রাস্তা।
পৃথিবীর বহুদেশ আর হারিয়েছে নিজেদের অস্তিত,নেই মানচিত্রে তাদের নিজস্ব ভুমির আয়তন,নেই এটা আমার দেশ বলার মত ভুমি। যেখানে মাথার উপরে আকাশ হয় তাদের চাদ,যেখানে মৃত পশুর পচাঅংশ হয় শিশুদের আহার,যেকানে কোন মাকে উজ্জত ডাকতে বেচে নিতে হয় ছালার বস্তা।
নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার হচ্ছে দেখে নিজেকে যিনি ঠিক রাখতে পারলেন না,যিনি বসে গেলেন একাই বানাতে লেগে গেলেন এক নতুন কোডিং ট্যাগ,এক নতুন বোমা,এক নতুন স্বপ্ন,একটি নতুন আকাশ,একটি নতুন প্রহর।
জানেন তো সেই বোমার নাম কি ? জানেন তো সেই বোমা কার হাতেই তৈরী শুরু হয়েছে ?

না জানলে জেনে নিন সেই লড়াকু মানুষটির নাম- জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ

তার তৈরী বোমার নাম- উইকিলিকস
বোমাটির কাজ - চাপা পড়া সত্য বের করে আনা
সেই কোডিং ট্যাগটি হচ্ছে -
আপনি কোন দিন পারবেন না নিরীহ মানুষের হাসি পিরিয়ে দিতে,পারবেন না যা তারা হারিয়েছে তা পুনরায় এনে দিতে,পারবেন না নবীনদের জন্য সুন্দরকরে পৃথিবী সাজাতে, আসলে অত্যাচারীরা আপনাকে দিবে না সেই সুযোগ।
চারদিক হতেই গরিব দেশগুলোকে ঘিরে রাখা হয়েছে, একটা কথা মনে রাখবেন চোরে চোরে মাসতুতো ভাই, যতই চিন কিংবা জার্মানী আমেরিকা কে বলুক না কেন যে,তোমরা অমুক দেশকে আক্রমন করলে আমরা তোমাদের চাড়বো না,আসল কথা হচ্ছে বিশ্ব যুদ্ধ লাগলে ক্ষমাতাশীল দেশগুলোই একত্র হয়ে পৃথিবীর বাকি দেশগুলো ভাগ করে দখল করে নিবে।
এক কথায় আমেরিকানদের থেকে আপনার আমার বাঁচার কোন রাস্তা নেই, সব স্থানেই তাদের হস্তক্ষেপ আছেই, আপনি আপনার দেশে একটা তেলের খনি পেলে তার ভাগ ও তাদের দিতে হবে, না হয় অল্প দামে তাদের কাছে বিক্রি করতে হবে,অপারগতা জানালে আপনার দেশে ইন্টারন্যাশনাল সন্ত্রাসী আছে বলে ড্রোন কিংবা বিমান হামলা চালিয়ে নীরিহ মানুষ হত্যা করবে।

আপনার কাছে কোন অস্ত্র আছে?যা দিয়ে ন্যাটো কিংবা আমেরিকান বাহিনীর সাথে লড়বেন ? পারবেন কি নিজের শেষ সম্বল বাচাতে ? পারবেন কি নিজের দেশের খনিজ সম্পদগুলো নিজেদের বলে দাবি করতে ?
কোথ্থেকে পারবেন আপনি তো বড় কোন পারমানবিক পরীক্ষাও চালাতে পারেবন না,তাহলেই আপনার নাষে বানিজ্য বন্ধ।
আমাদের মত উন্নয়ানশীল দেশুগুলো আজ থেকে ৫০ বছর পর যে অস্ত্র ব্যবহার করবে আমেরিকা তা আরো ১০ বছর আগ থেকেই ব্যবহার করছে। আজ থেকে ২০ বছর পরে ব্যবহার করার জন্য আমেরিকান রা পারমানবিক বোমা কিংবা উন্নত বিমান কিংবা রোবাট তৈরী করে প্যাকেট করে রেখে দিয়েছে।
আমাদের কোন পথ নেই ? কোন উপায় নেই ? কেউ কি নেই নিরীহ মানুষের পাশে ? কে বলেছে কেউ নেই আছে একজন,যার হাত ধরেই দিন দিন বড় হচ্ছে উইকিলিকস এর আয়তন।

পৃথিবী জুড়ে কোটি কোটি নিপিড়িত মানুষ,লাখ লাখ সেচ্চাসেবী,হাজার হাজার সাইবার অপরাধী আজ নিজেকে উজাড় করে দিয়েছে অসহায় মানুষের জন্য। তারা নানা ভাবে বড় করে তুলেছে উইকিলিকসকে,তারা বিশাল থেকে বিশালতর করছে উইকিলিকসের তথ্য ভান্ডার। হয়ত শুনে থাকবেন আমেরিকান নেী বাহিনীর একটি অফিসার(মেয়ে) উইকিলিকসের হয়ে কাজ করে তা সামনে গটে যাওয়া সবই রেকর্ড সহ দিয়েছে উইকিলিকসকে । তার জীবন বিপন্ন হবে তা ভাবে নি,কারন সে দেখেছে কিভাবে আমেরিকানরা উন্নয়ানশীল দেশ,মুসলমান দের প্রতি অন্যায় অবিচার করেছে।
আমেরিকান রা যেমন সবচেয়ে নিকৃষ্ঠ শুকর খেতে আনন্দ পায় ঠিক তেমনি তারা জগন্যতম কাজ করেও আনন্দ পায়।
আমেরিকানরা যেখানেই মুসলমানদের সুভাস পায় সেখানেই রটিয়ে দেয় মাদকের উন্মাদনা, ছড়িয়ে দেয় নিজের লালিত সন্ত্রাসী আর যাদের উচ্ছেদ করতে গিয়ে নতুন নতুন কৌশলে কোন না কোন রাস্ট্র দখল করে নিচ্ছে।
ইরাকে কত সাধারন মানুষ হত্যা করেছে তার সঠিক হিসেব কারো জানা নেই, শুধুমাত্র খনিজ সম্পদের লোভেই এতটা জগন্যতম কাজ।
তাই আসুন নিজেরা একা যে অস্ত্র তৈরী করতে পারছি না, সবাই মিলে চলুন না সেই বোমাটি দিনে দিনে বড় করে তুলি, আরো বোমারু জোগাড় করি।

একনজরে উইকিলিকস:-

  • WikiLeaks
  • Commercial? - No, ইহা ননপ্রফিট
  • Type of site: Document archive & disclosure
  • Created by: Julian Assange
  • Launched: 4 October 2006
  • Current status: Active
  • উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক : জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জে
  • জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ
  • জন্ম: ৩ জুলাই ১৯৭১
  • তিনি একজন অস্ট্রেলিয়ান কম্পিউটার প্রোগ্রামার।
  • তিনি রাজনৈতিক / ইন্টারনেট কর্মী, প্রকাশক, এবং সাংবাদিক.

পুরস্কার :

  • ইকোনোমিষ্ট ফ্রিডম অবএক্সপ্রেশন এওয়ার্ড (২০০৮)
  • এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউকেমিডিয়া পুরস্কার (২০০৯)
  • স্যাম এডাম্স পুরস্কার (২০১০)
  • লি মনডে,বছরের সেরা শৌখিন ব্যক্তি পুরস্কার(২০১০)
  • সিডনি শান্তি ফাউন্ডেশন স্বর্ণ পদক (২০১১)
  • মার্থা গেলহর্নপুরস্কার সাংবাদিকতা জন্য (২০১১)
  • অসামরিক জন্য ভিক্টোরিয়ান কাউন্সিল (২০১১) এর ভোল্টেয়ার পুরস্কার
  • সাংবাদিকতা থেকে বিশিষ্ট অবদান (২০১১) জন্য ওয়ালকিসপুরস্কার

পরিপূর্ণ স্বচ্ছতার পক্ষে লড়াকু সাইবার-যোদ্ধা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে শেষ করে দিতেই আমেরিকান রা লেগেছে তার পিছে, ছাড়ছে না কোনমতে,তাইতো আজ থেকে ২ বছর আগে তার বিরুদ্ধে আনা হয় কয়েকটি অভিযোগ,যেমন:যৌন অসদাচরণ
আমি বুক হাত দিয়ে বলতে পারি এটি মিথ্যা,বোনোয়াট।
দুই সাবেক ভক্ত তরুণীর দায়ের করা মামলায় সুইডিশ প্রসিকিউটর অফিস ২০১০ সালের নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। অ্যাসাঞ্জ তখন লন্ডনে, ব্রিটিশ পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অ্যাসাঞ্জ লুকিয়ে থাকতে বেশ পারঙ্গম। শেষে ইন্টারপোলের ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়ান্টেড লিস্টে’ প্রচার করা হয় তাঁর নাম: আন্তর্জাতিক হুলিয়া। অ্যাসাঞ্জ তখনো পলাতক। কারণ, তাঁর বিশ্বাস, যৌন অসদাচরণের অভিযোগ আসলে অজুহাত। সুইডিশ কর্তৃপক্ষ তাঁকে পেতে চায় আমেরিকার হাতে তুলে দিতে। কারণ, আমেরিকানদের কাছে তিনি তত দিনে হয়ে উঠেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যক্তি। ইরাক ও আফগানিস্তানের যুদ্ধে মার্কিন সেনাদের বর্বরতার প্রত্যক্ষ বিবরণ-সংবলিত যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পাঠানো ‘ফিল্ড রিপোর্ট’ আর সারা বিশ্বের মার্কিন দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনগুলোর গোপন তারবার্তা—সব মিলিয়ে প্রায় পাঁচ লাখ গোপন নথিপত্র—উইকিলিকসের মাধ্যমে ইন্টারনেটে ফাঁস করে দিয়ে অ্যাসাঞ্জ পরিণত হয়েছেন আমেরিকার এক নম্বর শত্রুতে। তাই, তাঁর ধারণা, আমেরিকা সুইডেনকে দিয়ে তাঁকে পাকড়াও করে নিয়ে যাবে; মার্কিন গুপ্তচরবৃত্তি-সংক্রান্ত আইনের আওতায় বিচার করবে, যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
এক কথায় এখন একমাত্র আন্দোলন,করেই নয় আমেরিকানদের উপর চাপ সৃষ্টি করা চাড়া আমাদের এই হিরোকে বাচানো সম্ভব নয়।
২০১০ সালের ৬ ডিসেম্বর অ্যাসাঞ্জ তাঁর আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে লন্ডনের এক থানায় যান পুলিশের প্রশ্নের জবাব দিতে। কিন্তু পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এক ওয়েস্টমিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। অ্যাসাঞ্জের আইনজীবীরা তাঁর জামিনের আবেদন করেন, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নামঞ্জুর করেন। তার পরের ১০ দিন অ্যাসাঞ্জকে কাটাতে হয় দাগি কয়েদির পোশাক পরে লন্ডনের ওয়ান্ডসওয়ার্থ কারাগারে। ১৭ ডিসেম্বর তাঁকে এমন শর্তে জামিন দেওয়া হয়, তিনি লন্ডনের আশপাশেই থাকবেন, প্রতিদিন নিকটস্থ থানায় সশরীরে গিয়ে খাতায় সই করে আসবেন। তাঁর পায়ের গোড়ালিতে সব সময় বাঁধা থাকবে একটা ইলেকট্রনিক ট্যাগ। সেই থেকে আজ প্রায় ১৮ মাস জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ এক অদ্ভুত গৃহবন্দী, যাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়নি।
অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে একযোগে তৎপর হয়ে উঠেছে ব্রিটেন, সুইডেন ও আমেরিকা। এমনকি তাঁর স্বদেশ অস্ট্রেলিয়ার সরকারও ওই তিনটি দেশের সরকারের সঙ্গে যোগ দিয়েছে।
আমেরিকান রা যেমন ছাড়ে নি, সাদ্দাম হোসেন,গাদ্দাপি কে ,ঠিক যানি না এই মহান মানুষটিকেও ছাড়বে কিনা।
fig: এভাবে আমেরিকান রা মানুষ মেরে টিভিতে প্রকাশ করতো আত্বঘাতি বোমা/রাস্তায় পুতে রাখা বোমায় মারা গেছেন বলতেন

কিভাবে অ্যাসাঞ্জ ও উইকিলিকস এই পরিচিত মুখ হয়েছেন ?

আফগানিস্তানে আফগান যুদ্ধের সূচি,আফগানিস্তানে যুদ্ধের পূর্বে প্রচার না হওয়া ৭৬,৯০০ নথির একটি সংকলন প্রকাশ করে
অক্টোবর ২০১০সালে-প্রায় ৪০০,০০০ নথির একটি প্যাকেজ সমন্বয়ে ইরাক যুদ্ধের একটি পরিপূর্ণ খসড়া প্রকাশ করে।
এপ্রিল ২০১১সালে, আফগানিস্তানের৭৭৯ টি গোপন সম্পর্কিত,গুয়াতানামো শিবিরে আটক বন্দীদের ফাইল প্রকাশ করে হইচই এন দেয় এই অ্যাসাঞ্জ।
তারপর থেকেই এক এক আরো কিছু দেশের গোপন নথি প্রকাশ করে উইকিলিকস তাইতো পুথিবীর সকল প্রভাবশালী দেশগুলো আজ উইকিলিকস কে শেষ করতে লেগেছে।
What’s the difference between Facebook’s Mark Zuckerberg, and Wikileaks’ Julian Assange? This image says it all:

আরো জনাতে চোখ রাখুন:

আসুন উইকিলিকসকে সাহায্যে করি

উইকিলিকসের একজন ভলেনটিয়ার হই,উইকিলিকসয়ের জন্য সামান্য ডোনেট করি।
উইকিলিকসকে গোপন তথ্য দিয়ে উইকিলিকসয়ের ভান্ডার বড় করুন।
আপনার বন্ধুকেও আহব্বান জানান উইকিলিকসয়ের ভলেনটিয়ার হতে,তবেই তো আসবে মুক্তি।
অ্যাসাঞ্জ ও উইকিলিকস কে সাপোর্ট দিতে সোস্যাল প্রোফাইলে নিচের ছবিটি ইউজ করুন।
এই লেখাটি সবাই ফেইসবুক,ডিগ,টুইটারে সবার সাথে শেয়ার করুন।সাংবাদিক রা এটি প্রকাশ করুন,ব্লগে ব্লগে এই মেসেজ ছড়িয়ে দিন।
আসুন যে যেখানে পারি অ্যাসাঞ্জ ও উইকিলিকস কে বাচাতে আন্দোল করি,ব্যানার নিয়ে পথে নামি আর অ্যাসাঞ্জ ও উইকিলিকসকে সম্রদ্ধ করি
অল্প পরিমান লেখা প্রথম আলোর একটি নিউজ থেকে নেয়া হেয়ছে, ইউকিপিডিয়া এবং উইকিলিকস থেকে তথ্য কালেকশন করা হয়েছে,সকল ছবি গুগল থেকে।
আসুন এবার হিরোর বন্ধু হই
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের হয়ে বার্তাটি ছড়িয়ে দিতে পেরে আমি আনন্দিত.................

গুগল এডসেন্স চেক যেভাবে ভাঙাবেন।

গুগল এডসেন্স চেক যেভাবে ভাঙাবেন।


আমি গত কয়েক মাস থেকে গুগল এডসেন্স এর চেক পেয়ে আসছি তাই অনেকেই আমাকে অনুরোধ করেছিলেন কিভাবে আমি গুগল এডসেন্স চেক ভাঙাই তার বিস্তারিত নিয়ে একটি টিউন করতে আমিও কথা দিয়েছিলাম এ মাসের চেক পেলে তা নিয়ে একটি টিউন করবো। ভেবেছিলাম এ মাসে চেক পেতে পাঁচ তারিখ হবে কিন্ত আজ সকালে বাসার ছাদ থেকে দেখলাম ডিএইচএল এর গাড়ি এসেছে আমার বাসার সামনে আর তা থেকে নামছে ডিএইচএল ম্যাসেন্জার টিম এর সদস্যরা আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না আমার এ মাসের গুগল এডসেন্স চেক চলে এসেছে। যাই হোক এখন গুগল ভাঙানোর পদ্ধতি সম্বন্ধে বলি।
Adsense Cheque
এটি আমার মে মাসের আয়ের চেক গুগল এডসেন্স এর নিয়ম অনুযায়ী যে মাসের চেক তার পরের মাসের ত্রিশ তারিখে ছাড়া হয়। কুরিয়ারে আনলে তা তার পরের মাসের পাঁচ তারিখের মধ্যে পাওয়া যায়। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যাতিক্রম নয়। তাই মে মাসে গুগলে আমার আয়কৃত $438.77 থেকে কুরিয়ারের $28 কেটে $410.77 এর এডসেন্স চেক পাঠানো হয়েছে। এই চেকটির উপরের অংশছিড়ে রেখে নিচের এই অংশ টুকু ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এর সামনের দিকে আপনাকে কোন কিছুই করতে হবে না।
a1.JPG

এটি পেছনের অংশ এখানে চিন্হিত অংশে আপনার নাম (স্বাক্ষর নয়) লিখবেন। এডসেন্স এ যে নামটি দেয়া আছে সেই নামটি দেবেন যেমন এডসেন্স একাউন্টে আমার নামে MD এর পরে ডট ছিলনা তাই আমি সেভাবেই নাম লিখেছি।
আপনার এডসেন্স একাউন্টে যে নাম আছে সেই নামটি দিয়ে যে কোন ব্যাংকে একাউন্ট খুলুন। একাউন্টটি আমার মতে ষ্ট্যান্ডার্ড অথবা ইসলামী ব্যাংকে খুললেই ভালো। চেকটি ভাঙাতে ষ্ট্যান্টার্ড ব্যাংকে $4 সরকারী ব্যাংকে $5, ইসলামী ব্যাংকে $8-10 আর যেকোন বেসরকরী ব্যাংকে $12-15 চার্জ কাটবে। তবে আমি আগেও বলেছি ব্যাংকের লোকাল ব্রাঞ্চে একাউন্ট খুলতে পারলে টকা কয়েকদিন আগে পাওয়া যায়। এরপর একাউন্ট খোলা হলে আপনার জমা বইয়ের সাথে চেকটি এটাচ করে তার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে ব্যাংকে জমা দিন প্রথমবার হলে একমাসের কিছু বেশী তারপর থেকে এক মাসের আগেই টাকা পাওয়া যাবে।